Skip to content

ঘরে প্রবেশ ও ঘর থেকে বের হওয়ার দোয়া

প্রতিটি মানুষই কোন না কোন ঘরে বসবাস করে। নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে আমাদের প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও যেতে হয়। মানুষ যতদিন বেঁচে থাকে ঘর আর দরজার সাথে তার সম্পর্ক প্রায় নিত্যদিনের। ঘর থেকে আমরা যখন বের হই, তখন আসলেই আমরা জানি না আমরা আবার ঘরে প্রবেশ করতে পারব কিনা। তাই স্বাভাবিকভাবেই আল্লাহ তায়ালার কাছে ঘরে প্রবেশ করা এবং ঘর থেকে বের হওয়ার সময় কোন বিপদ আপদ বালা মুসিবত থাকলে তা থেকে নিরাপদ থাকার জন্য প্রার্থনা করা, ও ঘর থেকে বের হওয়ার উপকারিতার জন্য দোয়া করা আমাদের কর্তব্য হয়ে দাঁড়ায়।

a5f80-pexels-photo-271639-7753201

তেমনি ভাবে ঘরে প্রবেশের সময় কিছু আদব ও দোয়া আছে যে গুলো পাঠ করে নিলে আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে ঘরে প্রবেশ করার সময় শয়তান থেকে হেফাজত করবেন এবং ঘরের কল্যাণ ও শান্তি দান করবেন।

ঘরে প্রবেশ করার বেশ কিছু আদব ও দোয়া আছে। ঘরে প্রবেশ করার সময় ঘরের লোকজনদেরকে সালাম দেওয়া হচ্ছে প্রথম আদব। ঘরে যদি কোন লোক না’ও থাকে, তবুও সালাম দেওয়া উচিত। পূর্ণ সালাম “আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ” বলে সালাম দিতে হবে। উচ্চস্বরে সালাম দিতে হবে। সালামের সাথে অন্য কোনো শব্দ বা অক্ষর যোগ করা ঠিক নয়। অন্য শব্দ বা অক্ষর যোগ করলে তা বিদআত হবে। সালামের পর যে দোয়াটি পাঠ করবে তা হচ্ছে:

اللهم اني اسالك خير المولج واخير المخرج بسم الله ولجن و بسم الله خرجنا وعلى الله ربنا توكلنا

অর্থাৎ হে আল্লাহ আমি আপনার নিকট ঘরে প্রবেশ ও ঘর থেকে বের হবার কল্যাণ ও বরকতের জন্য প্রার্থনা করছি। আমরা আল্লাহ তাআলার নামে ঘরে প্রবেশ করছি আর তার নামেই ঘর থেকে বের হচ্ছি। আমরা আল্লাহ তায়ালার উপর, যিনি আমাদের সকলের পালনকর্তা তার উপর সম্পূর্ণ ভরসা করলাম।

এই দোয়া পড়ার পর এক বার সূরা ইখলাস, যেকোনো দুরুদ শরীফ পাঠ করে নেয়া চাই।

ঘর থেকে বের হওয়ার সময় প্রথমে এই দোয়াটি একবার পড়ে এবং তারপর বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ একবার পড়া এবং সেই সাথে আয়াতুল কুরসীও পড়ে নিতে হবে।

এই হচ্ছে, ঘরে প্রবেশ এবং ঘর থেকে বের হওয়ার দু’আ ও আদব। যখন কেউ সালাম দিয়ে কোন ঘরে প্রবেশ করে, তখন তার সাথে শয়তান ও ঘরে প্রবেশ করতে পারে না। কিন্তু কেউ যদি সালাম না দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে, তবে বাহির থেকে শয়তানও তার সাথে সাথে ঐ ঘরে প্রবেশ করে।

আর ঘর থেকে বের হওয়ার সময় যখন কেউ আয়াতুল কুরসি, উপরোক্ত দোয়া ও বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ পাঠ করে তখন আল্লাহ তাআলা নিজে তার জিম্মাদার হয়ে যান। ফলে, সে যে কোন বিপদ আপদ ও মুসিবত থেকে নিরাপদ হয়ে যায়। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

%d bloggers like this: