Skip to content

চুলের সঠিক যত্ন নিতে যা জানা প্রয়োজন

আপনার চুল আপনার সৌন্দর্য প্রকাশের একটি অন্যতম মাধ্যম। আপনি যখন সঠিকভাবে চুলের যত্ন নিবেন তখন স্বাভাবিকভাবে আপনার চেহারার সৌন্দর্য বেড়ে যাবে। চুল অনেক ধরনের হয়ে থাকে। কারো কারো ক্ষেত্রে লম্বা আবার কারো কারো ক্ষেত্রে খাটো চুল দেখা যায়। চুলের অগ্রভাগ প্রাকৃতিক ভাবে পেঁচানো ঢেউ খেলানো বা কোঁকড়া হতে পারে। আবার কারো কারো ক্ষেত্রে একেবারে সোজা ও সমান্তরাল চুল দেখা যায়।

চুলের অঙ্গবিন্যাস বা টেক্সচার সূক্ষ্ম ও মসৃণ থেকে মোটা ও রুক্ষ বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। নিজের প্রয়োজন অনুসারে আপনি চুল যেকোনো কাটে, রংগে বা বিন্যাসে সাজিয়ে নিতে পারেন। আপনার চুল আপনার মতই অনন্য। আপনার মত একই রকম চুল আর কারো হবে না। আপনার চুলের রং, মসৃণতা বা বৃদ্ধির হার সবকিছুই আলাদা। এমনকি আপনি অন্য কারো স্টাইল অনুসরণ করলেও তা ঠিক অন্য কারো মত দেখাবে না।

একজন হেয়ার ড্রেসার আপনার চুলের কাট স্টাইল আপনার পছন্দের মুভি টিভি বা রকস্টারের অনুকরণে কেটে দিতে পারে কিন্তু এটা এরপরও হুবহু তাদের মত হবে না। যাদের চুলের স্টাইল সুন্দর মানুষ সাধারণত তাদের প্রশংসা করে থাকে। আর এই কারনেই চুলের যত্নের বাজার সব সময় চালু থাকবে।

যেকোনো ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ফার্মেসি বা গ্রসেরি স্টরে আপনি অসংখ্য প্রোডাক্ট পাবেন যা মূলত চুলের যত্নের জন্য। আপনি হয়তো দেখতে পাবেন এসব দোকানের সম্পূর্ণ অ্যাক্টিভ আগে চুলের স্টাইলের বিভিন্ন উপকরণ সাজিয়ে রাখা আছে। এর মধ্যে আছে চুল কোঁকড়া করার আয়রন বা কার্লিং আয়রন, হেয়ার ড্রায়ার, হট স্ট্রেটনার, শ্যাম্পু, কন্ডিশনার, বিভিন্ন ধরনের তেল, চুলের রং, মুজি, হেয়ার স্প্রে, মাস্ক, জেল ও আরো অনেক কিছু। আপনি আপনার চুল সুন্দর করতে যত টাকাই খরচ করেন না কেন, জেনে অবাক হবেন যে এর সহজ কিছু বিকল্প আছে যার ফলে একই রকম ফলাফল পাওয়া যায়।

যেকোনো বয়সেই সুন্দর চুল ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন ঘটায়। কিন্তু অনেক সময় শত চেষ্টা করেও চুল সুন্দর রাখা যায় না। এজন্য অনেকেই চুলের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে আরও স্বাস্থ্যসম্মত ও প্রাকৃতিক উপায় খুঁজে থাকেন।

স্বাস্থ্যসম্মত বিভিন্ন চুলের পণ্যের পাশাপাশি এখন অনেকেই প্রাকৃতিক বিভিন্ন উপাদান ব্যবহার করে থাকেন যা সহজেই ঘরে বানানো যায়। এর ফলে তারা কোনও ধরনের বিষাক্ত ক্যামিকেলের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই তাদের চুলের বিভিন্ন সমস্যা কার্যকরভাবে দূর করতে পারছেন। আর এসব পন্যের দাম বাণিজ্যিক পণ্যের তুলনায় একেবারেই নগণ্য।

হ্যাঁ, আপনি চাইলে আপনার চুলের যত্নের বিভিন্ন পণ্য নিজেই তৈরি করতে পারেন। এগুলো বেশ ভালোভাবেই কাজ করবে। কিন্তু বাণিজ্যিক পন্যের তুলনায় এসব পণ্য তৈরি করতে খুব সামান্যই ব্যয় হয়ে থাকে। এছাড়াও চুলের যত্ন বা স্টাইলের জন্য আপনি ঘরেই বিভিন্ন টেকনিক ব্যবহার করতে পারেন।

এই পদ্ধতিগুলো যুগ যুগ ধরে চুলের যত্নে ব্যবহার করা হচ্ছে। এগুলোর ব্যবহারে আপনি সতিই আশ্চর্যজনক ফল পাবেন। অনেক সময় ব্যয়বহুল বানিজ্যিক চিকিৎসা করলে যেই ফল পাওয়া যায়, এগুলো একই রকম ফল দিবে।

চুল আপনার ব্যক্তিত্বের জন্য অন্যতম একটি অনুসঙ্গ। আপনার চুল আপনার ব্যক্তিত্বের মতই অনন্য। তাই, অন্যদের ক্ষেত্রে যেসব জিনিস কাজ করে আপনার ক্ষেত্রে তা কাজ নাও করতে পারে।

আর এ কারণেই, আপনার চুলের জন্য ভালো কোনও পণ্য খুঁজে পেতে আপনাকে বেশ পরীক্ষা নিরিক্ষা করে পণ্য নির্বাচন করা উচিত, যাতে আপনার মাথা ভর্তি চুলের যত্নে ভালোভাবে কাজ করে। ভাগ্যিস, আমি এমন একটি বই কিছুদিন আগে খুঁজে পেয়েছি, যাতে প্রায় ১০০ এরও বেশী রেসিপি এবং টিপস আছে। যেগুলোর বেশীর ভাগ হচ্ছে প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি। এগুলো ব্যবহার করলে আপনার চুল সুন্দর হবে, কিন্তু অতিরিক্ত টাকা খরচ করতে হবে না।

এই বইটিতে আছে শ্যাম্পু, কন্ডিশনার, চুল ধোয়ার বিভিন্ন সলুশন, হেয়ার স্টাইল করার উপকরণ, চুল ঘন ও চুল পড়া প্রতিরোধের বিভিন্ন টিপস। এছাড়াও মাথাভর্তি চুল পেতে আপনার কি খাওয়া প্রয়োজন, তা নিয়েও এখানে আলোচনা করা হয়েছে। হ্যাঁ, আপনি এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে অতিরিক্ত কোনও টাকা খরচ না করে অনায়াসেই চুলের যত্ন নিতে পারেন। আপনার চুল সব সময় সেরা ও আকর্ষণীয় রাখতে স্বাস্থ্যকর – এবং ব্যবহারিক উপায়গুলি জেনে নিতে নিচের বইটি এখনই কিনে নিনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

%d bloggers like this: