Skip to content

১৫ টি খাবার যা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে

স্বাস্থ্যকর খাবার যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে মানুষ এমনিতেই সুস্থ থাকে। তবে নির্দিষ্ট এমন কোনও খাবার আছে কি, যা মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে? এর উত্তর হচ্ছে, হ্যাঁ আছে।

রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা মানুষের অঙ্গ, কোষ, টিস্যু এবং প্রোটিন নিয়ে গঠিত। মানুষের শরীরে তখন কোনো রোগ জীবাণু ঢুকে, তখন এই অংগ প্রত্যঙ্গগুলো একত্রে জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। যেমন রক্তে যদি কোনও পরজীবীর অস্তিস্ত টের পায় তাহলে রক্তের শ্বেত কনিকা সবার প্রথমে তাতে আক্রমণ করে তা গিলে ফেলে। কিন্তু কোনও কারণে যদি এই প্রক্রিয়াটি বাধা পায়, তখনই নানা ধরণের রোগের উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে শ্বেত কনিকা অ্যাকশন নিলেও ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে এন্টিবডি। আর কোনও ভাইরাসের এন্টিবডি মানুষের শরীরে একবার তৈরি হয়ে গেলে সেই ভাইরাস ঐ মানুষকে আর আক্রমণ করতে পারে না। সাধারনত রক্তরসে এন্টিবডি তৈরি হয়। এবং একবার তৈরি হয়ে গেলে মানুষের দেহের ভিতরের প্রতরোধ ব্যবস্থা বুঝতে পারে যে কি উপায়ে এই এন্টিবডি প্রয়োজন হলেই তৈরি করে নিতে হয়।

মানুষের দেহের ভিতরের এই সমন্বিত ব্যবস্থা এমন কিছু শারীরিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে যা বিভিন্ন ধরণের রোগ জীবাণু যেমন, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য পরজীবীর সাথে লড়াই করে যেগুলো বিভিন্ন রোগ ও সংক্রমণ সৃষ্টি করে।

মানব দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যখন কোনও জীবানুর সংস্পর্শে আসে, তখন সাথে সাথেই এটা প্রতিরোধ করতে শুরু করে। প্রতিরোধ ব্যবস্থা হিসেবে প্রথমে রক্তে বিভিন্ন উপকরণের সমন্বয়ে এন্টিবডি তৈরি করে। এই এন্টিবডিগুলো প্রথমে জীবানুর চারপাশে বলয় তৈরি করে ও গিলে ফেলে যার ফলে জীবাণুটি বংশবিস্তার করতে পারে না। এবং একসময় এগুলোকে মেরে ফেলে।

এমন কিছু খাবার আছে, যা একজন ব্যক্তির প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখলে তা তার রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতাকে শক্তিশালী করতে পারে। নিচের রচনাতে আমরা এই ধরণের ১৫ টি খাবার নিয়ে আলোচনা করবো, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক। এ সম্পর্কে জানতে হলে পড়তে থাকুন।

কোন কোন খাবার মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়?

স্বাস্থ্যকর, সুষম খাবার ভাল থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিম্নলিখিত খাবারগুলো আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে:

১। ব্লুবেরি

blueberries-4780973
ব্লুবেরিতে প্রচুর পরিমাণে এন্টি অক্সিডেন্ট থাকে।

ব্লুবেরিতে অ্যান্থোসায়ানিন নামে এক ধরণের ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে, যাতে এক ধরণের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা কোনও ব্যক্তির প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। ২০১৬ সালের একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে ফ্লাভোনয়েড শ্বাসনালীর রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হিসেবে ভূমিকা রাখে।

গবেষকরা দেখতে পেয়েছেন যে ফ্লেভোনয়েড সমৃদ্ধ খাবার যারা খেয়েছেন তাদের মধ্যে ওপরের দিকের শ্বাসনালীর সংক্রমণ বা সাধারণ ঠাণ্ডা হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় কম ছিলো।

২। কালো চকোলেট

dark-chocolate-1829327
কালো চকোলেট শুধু খেতেই মজা নয়, এন্টি অক্সিডেন্টের ভালো উৎস

কালো চকোলেটে থিওব্রোমাইন নামে একটি অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট আছে, যা দেহের কোষকে ফ্রি র‌্যাডিক্যাল থেকে সুরক্ষা দিয়ে প্রতিরোধ ব্যবস্থা বাড়াতে সহায়তা করে।

ফ্রি র‍্যাডিকাল হচ্ছে এক ধরণের অনুবীক্ষনিক বস্তু যা খাদ্য পরিপাক ও দুূষণের কারণে শরীরের কোষে জমা হয়। এগুলো দেহ কোষের ক্ষতি করে ও রোগ তৈরি করে ও তা বাড়াতে আরো ভুমিকা রাখতে পারে।

যদিও অনেক উপকার আছে, তারপরও ডার্ক চকোলেটে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি ও স্যাটুরেটেড ফ্যাট থাকায় এগুলো অল্প পরিমাণে গ্রহণ করা উচিৎ।

৩। হলুদ

turmeric-4743868
নিয়মিত হলুদ সেবনে মানুষের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

হলুদ হচ্ছে এক ধরণের মশলা যা অনেকে রান্নায় ব্যবহার করেন। হলুদে এমন কিছু উপদান আছে যা কোনও কোনও রোগে ঔষধ হিসবে কাজে লাগে। নিয়মিত হলুদ সেবনে মানুষের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। কারণ হলুদ কারকুমিনের উপস্থিতি আছে যা একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করতে পারে।

২০১৭ সালের একটি পর্যালোচনা অনুসারে, কার্কুমিনে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি প্রভাব রয়েছে।

৪। তৈলাক্ত মাছ

oily-fish-9977251
তৈলাক্ত মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে।

তৈলাক্ত বিভিন্ন মাছ যেমন রুই, ইলিশ, পাবদা, টেংরা, টুনা, আইড়, চিতল, বোয়াল ইত্যাদি মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। ২০১৪ সালের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড দীর্ঘমেয়াদে গ্রহণ করলে রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের (আরএ) ঝুঁকি হ্রাস করে।

আর এ হচ্ছে একটি দীর্ঘস্থায়ী অটোইমিউন অবস্থা যা তখনই ঘটে যখন দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুলভাবে দেহের সুস্থ অংশে আক্রমণ করে।

৫। ব্রোকলি

broccoli-3475296
ব্রোকলি হচ্ছে ভিটামিন সি এর একটি ভালো উৎস।

সাধারনত বাংলাদেশে শীতকালীন সবজি হিসেবে পরিচিত হলেও ব্রোকলি শীতপ্রধান দেশগুলোতে সারা বছরই পাওয়া যায়। ব্রোকলি হচ্ছে ভিটামিন সি এর একটি ভালো উৎস। এতে সালফোরামিনের মতো শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও রয়েছে। এই কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো রাখতে এই সবজিটি নিয়মিত খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন।

৬। মিষ্টি আলুঃ

sweet-potato-4282170
মিস্টি আলুতে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন থাকে।

এতে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন আছে, যা এক ধরণের এন্টি অক্সিডেন্ট। এর আধিক্যের কারণেই মিষ্টি আলুর ত্বকের উপরিভাগ লাল অথবা হলুদ হয়ে থাকে। বিটা ক্যারোটিন হচ্ছে ভিটামিন এ এর একটি ভালো উৎস যা ত্বককে স্বাস্থ্যজ্জল রাখে এবং সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা প্রদান করে।

৭। পালং শাকঃ

spinach-6281099
পালং শাক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে পারে

পালং শাক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে পারে, কারণ এতে অনেকগুলি প্রয়োজনীয় পুষ্টি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। যেমনঃ

  • ফ্ল্যাভনয়েডস
  • ক্যারোটিনয়েডস
  • ভিটামিন সি
  • ভিটামিন ই

ভিটামিন সি এবং ই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা গেছে, একজন স্বাস্থ্যবান মানুষের সাধারণ ঠান্ডা রোগ প্রতিরোধ করতে পারে।

৮। আদা

ginger-6279216
আদাতে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

বিভিন্ন ধরণের খাবার ও ডেজার্টে স্বাদ বাড়ানোর কাজে আদা ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও অনেকে চায়েও আদা দিতে পছন্দ করে।

একটি পর্যালোচনা অনুসারে, আদাতে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং এটা স্বাস্থ্যের জন্যও বেশ ভালো। তবে, এটা আসলে কার্যকরভাবে অসুস্থতা রোধ করতে পারে কি না তা নিশ্চিত করার জন্য আরও গবেষণা করা দরকার।

৯। রসুন

garlic-9345779
রসুন ঠান্ডা প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে।

সর্দি এবং অন্যান্য অসুস্থতা প্রতিরোধের জন্য রসুন একটি সাধারণ ঘরোয়া প্রতিকার। একটি পর্যালোচনায় দেখা গেছে এ্যালিসিনযুক্ত রসুনের পরিপূরক গ্রহণের ফলে ঠাণ্ডা হওয়ার ঝুঁকি কমেছে। আরেক গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, যারা নিয়মিত রসুন খায় তাঁদের তুলনায় যারা খায় না, তাঁরা দ্বিগুণ হারে ঠান্ডা রোগে আক্রান্ত হয়েছে। তবে গবেষকরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে রসুন ঠান্ডা প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে কিনা তা নির্ধারণের জন্য আরও গবেষণা করা দরকার।

১০। গ্রিন টি

green-tea-4576704
নিয়মিত গ্রিন টি খেলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

গ্রিন টিতে অল্প পরিমাণে ক্যাফিন থাকে, তাই এটি কালো চা বা কফির বিকল্প হিসাবে খেতে পারেন। নিয়মিত গ্রিন টি খেলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। ব্লুবেরির মতো গ্রিন টিতেও ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে যা ঠান্ডার ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে।

১১। কেফির

kefir-9966918
কেফির ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করতে বেশ কার্যকর।

কেফির হচ্ছে এক ধরনের পানীয় যা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ব্যাপকভাবে প্রচলিত আছে। এটি স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। ২০১৭ সালের এক গবেষনায় প্রাথমিকভাবে প্রমাণীত হয়েছে যে, কেফির ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করতে বেশ কার্যকর। নিয়মিত কেফির গ্রহণ করলেঃ

  •  ব্যাক্টেরিয়ার সাথে প্রতিরোধ গড়ে উঠে
  •  যেকোনো ধরণের প্রদাহ বা জ্বালাপোড়া কমায়।
  •  এণ্টিঅক্সিডেণ্টের কার্যকারীতা বাড়ায়।

তবে, এর বেশীরভাগ পরীক্ষা নিরীক্ষাই কোনও প্রানী বা ল্যাবরেটরিতে করা হয়েছে। কেফির কিভাবে মানুষের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম হতে পারে, তা জানতে আরো পরীক্ষা করা প্রয়োজন আছে।

১২। সূর্যমুখী বীজ

sunflower-seed-6837501
সূর্যমুখী বীজে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ই আছে।

সূর্যমুখী বীজ সালাদ বা সকালের নাস্তায় অন্যরকম ফ্লেভার আনতে পারদর্শী। তবে এটা ভিটামিন ই একটি সমৃদ্ধ উৎস, একটি কার্যকরী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মতই, ভিটামিন ই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটা বিভিন্ন অনুজীবের সাথে লড়াই করে, যা কোষের সরাসরি ক্ষতি করতে পারে।

১৩। বাদাম

nuts-3689503
বাদাম ভিটামিন ই এর আরেকটি চমৎকার উৎস।

বাদাম ভিটামিন ই এর আরেকটি চমৎকার উৎস। এছাড়াও বাদামে ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম, এবং ফাইবার আছে। প্রতিদিন এক মুঠো বা এক কাপ বাদাম একটি স্বাস্থ্যকর জলখাবার যা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে।

১৪। কমলা বা কিউইফল (কিউই)

vitamin-c-rich-fruit-5001020
কমলা এবং কিউই ফল ভিটামিন সি এর একটি চমৎকার উৎস।

কমলা এবং কিউই ফল ভিটামিন সি এর একটি চমৎকার উৎস, যা হঠাৎ ঠান্ডা লেগে গেলে তা দূর করতে বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

যদিও বিজ্ঞানীরা এখনো নিশ্চিত নন যে, এটি ঠিক কিভাবে সাহায্য করে। ভিটামিন সি সাধারণ ঠাণ্ডা উপসর্গের সময়কাল হ্রাস করতে পারে এবং মানুষের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যকারিতা আরো উন্নত করতে পারে।

১৫। লাল বেল পেপার

bell-pepper-7165587
লাল বেল পেপার ভিটামিন সি একটি চমৎকার বিকল্প উৎস

যারা ফলের মধ্যে থাকা চিনি এড়ানোর চেষ্টা করেন, তাঁদের জন্য লাল বেল পেপার ভিটামিন সি একটি চমৎকার বিকল্প উৎস। রান্নার পদ্ধতির উপর একটি গবেষণা অনুসারে, ভাজা এবং ঝলসানো উভয় অবস্থাতেই লাল বেল পেপারে গরম বা ফুটন্ত অবস্থার চেয়ে ভাল পুষ্টি উপাদান সংরক্ষিত থাকে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর অন্যান্য উপায়

হাত সঠিকভাবে ধোয়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সাহায্য করতে পারে।

নিম্নলিখিত জীবনধারা কৌশল একজন ব্যক্তির রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে পারে:

  • ধূমপান না করা।
  • প্রতিদিন ব্যায়াম করা।
  • উচ্চতা অনুযায়ী ওজন ঠিক রাখা।
  • মদপান এড়িয়ে চলা অথবা মাত্রা কমিয়ে দেয়া।
  • পর্যাপ্ত ঘুমানো।
  • মানসিক চাপ কমানো।
  • সঠিক নিয়মে হাত মুখ ধোয়া ও নিয়মিত মুখ ও দাত পরিষ্কার করা।

সংক্ষেপে…

এই প্রবন্ধে লিখিত ১৫টি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর খাবার নিয়মিত গ্রহণ করলে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হবে যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার সক্ষমতা বাড়াবে।

এটা মনে রাখা জরুরী যে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা একটি জটিল কার্যক্রম। সময় মতো স্বাস্থ্যকর, সুষম খাদ্য খাওয়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর একটি উপায় মাত্র।

এছাড়াও জীবনযাত্রার অন্যান্য বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেতন থাকা অপরিহার্য যা ইমিউন সিস্টেমের স্বাস্থ্যের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে, যেমন ব্যায়াম এবং ধূমপান না করা। তবে কেউ যদি ঘন ঘন ঠাণ্ডা বা অন্যান্য অসুস্থতায় আক্রান্ত হয় এবং তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও অন্যান্য সমস্যা নিয়ে ডাক্তারের সাথে খোলাখুলি কথা বলা উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

%d bloggers like this: